নয়া কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতিতে ব্যাপক রদবদল

unnamed

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ৩৪ বছরের শিক্ষানীতির বদল। শিক্ষাক্ষেত্রে এবার পরিবর্তন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে। তৈরি হল নয়া জাতীয় শিক্ষানীতি। দেশে পড়াশুনার ধরনে বদল আসছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই এই নীতি প্রণয়নে উদ্যোগী কেন্দ্রীয় সরকার। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর ও কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ মেনে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-কে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা ৷ গত ৩৪ বছর ধরে দেশের এডুকেশন পলিসির কোনও সংস্করণ করা হয়নি ৷

একবিংশ শতকের পড়ুয়াদের জন্য একান্ত উপযোগী এই নয়া শিক্ষানীতি ৷ নয়া শিক্ষানীতির ক্ষেত্রে কার্যত গুরুত্ব থাকছে না দশমের বোর্ড পরীক্ষা ৷ আবার নতুন এই শিক্ষানীতিতে গুরুত্ব হারাতে বসেছে মাধ্যমিক৷জানা যায়, নবম-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলে হবে ৮টি সেমেস্টার ৷আবার একাদশ-দ্বাদশে বাণিজ্য, বিজ্ঞান, কলা বিভাগেকোনও আলাদা স্ট্রিম থাকছে না ৷ পাশাপাশি স্নাতকের ক্ষেত্রে ৩-এর বদলে ৪ বছরের স্নাতক কোর্স হবে ৷ নতুন শিক্ষানীতিতে থাকছে না এমফিলও৷ পড়ুয়ারা পঞ্চমশ্রেণী পর্যন্ত মাতৃভাষা বা আঞ্চলিক ভাষায় পড়ার সুযোগ পাবেন।

নতুন শিক্ষানীতির ক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে, কমপক্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা বা শিক্ষাদানের মাধ্যম হিসাবে আঞ্চলিক বা স্থানীয় ভাষাকে মাধ্যম আবশ্যিক। এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, তা যদি অষ্টম শ্রেণি বা তার বেশি করা যায়, তাহলে আরও ভাল হয়।সব স্কুল স্তর ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সংস্কৃত পড়ার সুযোগ মিলবে পড়ুয়াদের। অন্যদিকে স্কিল ডেভলপমেন্টের ওপরে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র। বদলে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের নাম। এবার থেকে এই দফতর শিক্ষামন্ত্রক হিসেবে পরিচিত হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ১৯৮৫ সালে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন এই মন্ত্রকের নামকরণ হয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন: এখানে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *