ক্ল্যাট পরীক্ষায় সফল হওয়ার চাবিকাঠি

key of success

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ক্ল্যাট -এর ক্ষেত্রে একটা বিষয় মাথায় রাখা জরুরী। এখানে ” নলেজ “এর থেকে ” আপটিটিউড “অনেক বেশি যাচাই করা হয়ে থাকে। প্রস্তুতি হিসেবে নানা ধরনের প্রশ্ন প্র্যাক্টিস করাটা অত্যন্ত জরুরী। যত বেশি সংখ্যক বিভিন্ন ধরণের প্রশ্নের উত্তর করা যাবে,তত পরীক্ষায় সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে। পরীক্ষার ধরণের কিছুটা বদল এসেছে। ক্ল্যাট -এ মূলত পাঁচটি সেকশন। এক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে জেনারেল নলেজে ও কারেন্ট এফেয়ার্স। এই বিভাগের জন্য খবরের কাগজ খুঁটিয়ে পড়া দরকার। বিভিন্ন ভাল বইপত্র ছাড়াও জেনারেল নলেজ এবং কারেন্ট এফেয়ার্স সংক্রান্ত বেশ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে। লিগাল অপটিটিউড -প্রশ্নঃঅনেক বেশি রিজনিঙ নির্ভর হয়ে গিয়েছে।
ক্ল্যাট পরীক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময়। কম সময়ে বেশি সংখ্যাক উত্তর করা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অতি দ্রুত উত্তর করার কৌশল রপ্ত করতে হবে। নিয়মিত মকটেস্ট দেওযা জরুরি।শর্টকাটের সাহায্যে কিভাবে স্বল্প সময়ের মধ্যে উত্তর করা যায় তা জেনে নিতে হবে। ক্ল্যাটের পুরানো প্রশ্নপত্রগুলো সল্ভড করে নেওয়া যেতে পারে।প্রশ্নের ধাঁচ পুরোপুরি বুঝে নেওয়ার জন্য
ইংরাজীর ক্ষেত্রে প্যারা জাম্বলস,গ্রামাটিক্যাল এরর ,সিনোনিমস -এন্টোনিমস ,ইডিয়ামস প্রভৃতি রয়েছে। এগুলিতে পড়ুয়ার ইংরাজীর প্রাথমিক দক্ষতা যাচাই করা হয়। প্রস্তুতির জন্য ইংরেজি সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বিভাগটি নিয়মিত পড়ার প্রয়োজন রয়েছে।অভ্যাস রাখতে নিয়মিত মকটেস্ট দেওয়া উচিত। অনেক বিভাগে বেসিক অংকের প্রশ্ন থাকে। এক্ষেত্রেও শর্টকাট পদ্ধতি রয়েছে। চাপ না নিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে পরীক্ষা দেওয়া উচিত। তা নাহলে টেনশনে পড়ুয়ারা সহজ প্রশ্ন ভুল করে আসতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *