এখনও আতঙ্ক কাটেনি মৌসুনির বাসিন্দাদের

mousuni island

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ মৌসুনি দ্বীপ ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে। একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে দ্বীপের আয়তন অনেকটাই কমছে। বুলবুল বা আম্ফানের ধাক্কা সয়ে, নদী ও সমুদ্রের গর্ভে বিঘের পর বিঘে জমি তলিয়ে যাওয়ার পরেও বেঁচে ছিল প্রায় ১০০ বর্গ কিলোমিটার। তাও কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ বর্গ কিলোমিটারের মতো। ভাঙনের ভয়ে দ্বীপ ছাড়া হয়েছেন বহু বাসিন্দা। এই মুহূর্তে বাসিন্দার সংখ্যা প্রায় হাজার পাঁচেক। অমাবস্যার ভরা কোটালের সঙ্গে নিম্নচাপের টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর, পশ্চিম চিনাই ও উত্তরে বটতলা নদীর বাঁধ ভেঙেছে প্রায় ৩ হাজার মিটার। চিনাই নদীর মাটির বাঁধ ও বটতলা নদীর কংক্রিটের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে পায়লাঘেরির বিস্তীর্ণ এলাকা। দক্ষিণ-পূর্বে বঙ্গোপসাগরের মাটির বাঁধ ভেঙে সল্টঘেরি ও বালিয়ারা এলাকায় বড় অংশ জলমগ্ন। সূত্রের খবর, প্রায় সাড়ে পাঁচশো কাঁচা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুশোরও বেশি কাঁচা বাড়ি।প্লাবিত হয়েছে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি ও মাছের পুকুর। ভেঙে পড়েছে বহু পানের বরজ। পাকা বাড়ির ছাদে ও স্কুলভবনে অনেকে আশ্রয় নিয়েছিল। জল কমতে অনেকেই ফিরছেন, কিন্তু সামনে পূর্ণিমার কোটাল। এখনও ভাঙা বাঁধের মেরামতি শুরু হয়নি। তাই এখনও আতঙ্ক কাটেনি মৌসুনির বাসিন্দাদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *