পড়ুয়াদের “আদর্শ” হয়ে উঠার শিক্ষা

teaching student

ছাত্র-ছাত্রীদের সমাজে আদর্শ হওয়াই লক্ষ্য হওয়া উচিত,একথাটা আমরা বলে থাকি। কিন্তু তাদের সেই শিক্ষাটা দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহী হই না। সবাই যে এমন তা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,অল্প বয়স থেকেই পড়ুয়াদের মনে এই বিষয়টা ঢুকিয়ে দিতে হবে যে -সমাজের জন্য এমন কিছু কাজ করতে হবে, যা দেখে অন্যরা উৎসাহিত হবে। স্বামী বিবেকানন্দের একটি বাণী রয়েছে “আদর্শ” হয়ে উঠার জন্য। তিনি বলেছিলেন,”জগতে যখন এসেছিস,তখন একটা দাগ রেখে যা।” তবে এই শিক্ষাটা প্রথমে পরিবারের অভিভাবকদের দিতে হবে। তারপর স্কুল জীবনে শিক্ষকদের দিতে হবে। শুধু নিজের নয়,সমাজের জন্যও তোমার কিছু দায়িত্ব রয়েছে। এই বোধটা জাগিয়ে দিতে পারলেই সমাজ উপকৃত হবে।

একজন পড়ুয়া যাতে অন্যদের কাছে আদর্শ হয়ে উঠতে পারে সেই শিক্ষাটা শিক্ষকদেরই দিতে হবে। এক্ষেত্রে “আইডল” হবেন আদর্শবান ব্যক্তিত্বরা। পাশাপাশি নিজেকে “সেরা” তৈরি করার শিক্ষাটাও দিতে হবে। শুধুমাত্র শিক্ষায় সেরা হওয়ার কথা বলছি না। টেক্সট বইয়ের পাঠ যেমন রয়েছে তেমনি সুস্থ মানসিক মন গঠনের ভিতও গড়ে দিতে হবে। স্কুল পড়ুয়ারা যাতে সামাজিকতার মর্ম বুঝতে পারে সেদিকটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। একজন পড়ুয়া যাতে নিজেকে সমাজের “একজন” ভাবতে পারে সেই বোধও জাগিয়ে দিতে হবে। মনীষীদের ভাবনা থেকেই শিক্ষাকে সমাজের উন্নতির কাজে ব্যবহার করবে। সৎ ও নিষ্ঠাবান হতেও সহায়তা করবে। এ বিষয়ে আপনার ভাবনা কি জানান। (ছবিঃ সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *