ভারতের মানচিত্র ঘিরে বিতর্ক ও প্রতিবাদ
মানচিত্র বিতর্ক নিয়ে গুঞ্জন। সূত্রের খবর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র ওয়েবসাইটে ভারতের মানচিত্রকে ভুলভাবে উপস্থাপিত করার বিষয়টি নিয়ে হু-র সর্বোচ্চ স্তরে নালিশ করেছে ভারত। প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।
Read Moreমানচিত্র বিতর্ক নিয়ে গুঞ্জন। সূত্রের খবর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র ওয়েবসাইটে ভারতের মানচিত্রকে ভুলভাবে উপস্থাপিত করার বিষয়টি নিয়ে হু-র সর্বোচ্চ স্তরে নালিশ করেছে ভারত। প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।
Read Moreমানচিত্রে প্রতিবাদ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র মানচিত্রে দেশের সীমান্ত বিকৃতির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত।
Read Moreকাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে ভারত দুর্দান্ত ফল লাভ করেছে। ভারতে ম্যালেরিয়া রোগের সংখ্যা ২০০০ সালে ছিল প্রায় ২কোটি যা কমে ২০১৯ সালে হ্রাস পেয়ে হয়েছে ৫৬ লাখ। সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লুএইচও) এ তথ্য দিয়েছে। ডব্লুএইচও জানিয়েছে যে, দক্ষিণ পূর্ব এশীয় অঞ্চলে ২০১৮ সালের তুলনায় ভারত ম্যালেরিয়া হ্রাসে বড় অবদান রেখেছে। ম্যালেরিয়া সম্পর্কিত সর্বশেষ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে ১২ লক্ষ কেস কমেছে। ২০১২ সালে ম্যালেরিয়া রোগীর বৈশ্বিক চিত্র ছিল ২২কোটি ৯০ লক্ষ। গত চার বছরে বার্ষিক মূল্যায়ন অপরিবর্তিত…
Read Moreবর্তমান সময়ে করোনা সংক্রমণ বিশ্বের শেষ মহামারী নয়।
Read Moreকাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা ভ্যাকসিন তৈরির জন্য মরিয়া হয়ে কাজ শুরু করেছেন। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংগঠন (হু)-র মুখ্য বিজ্ঞানী ড. সৌম্য স্বামীনাথন বিশ্বকে সতর্ক করে জানিয়েছেন, করোনা মহামারীর বিরুদ্ধে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ গড়ে তুলতে এখনও অনেকটা সময় লাগবে। এ বিষয়ে স্বামীনাথন আরও জানিয়েছেন, হার্ড ইমিউনিটির এই ধারণার ক্ষেত্রে জনসংখ্যার ৫০-৬০ শতাংশের মধ্যে সংক্রমণের প্রয়োজন। কোনও ভ্যাকসিনের মাধ্যমেও এই কাজ সহজ হয়। সেক্ষেত্রে অসুস্থ হওয়া ও মৃত্যু ব্যতিরেকেই তা অর্জন করা সম্ভব। তাই এভাবেই হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের পথে হাঁটা উচিত। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার…
Read Moreকাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ কোভিড -১৯ এর জন্য ভ্যাকসিন পাওয়া এখনও নিশ্চিত নয়, এটি প্রচুর সময় নিতে চলেছে। বিশেষত যখন ভাইরাসগুলি সার্স-কোভ-২ এর মত তখন এটাও যথেষ্ট ঝুঁকিপূর্ণ। বিশ্ব যখন অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনটি নিয়ে উৎসাহ দেখাচ্ছে, যা বছরের শেষ নাগাদ ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা ছিল। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পুরোপুরি আলাদা মত পোষণ করছে যা অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ২০২০ সালে কোভিড -১৯- ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত একটি ভ্যাকসিন নাও দেখা যেতে পারে। এক অফিসিয়াল বিবৃতিতে অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের সহ-পরিচালক অ্যাড্রিয়ান হিল জানিয়েছেন, এই ভ্যাকসিনের ফলাফল খুব আশাব্যঞ্জক ছিল তবে ভ্যাকসিনটি সম্বন্ধে নিশ্চিত হওয়ার…
Read Moreপ্রকৃতি ধ্বংসের ফলেই বিশ্বে মহামারী।
Read Moreবাতাসেও কি ঘোরে করোনা ?
Read Moreলকডাউন পরিস্থিতিতে বাড়ছে যক্ষ্মাও।
Read Moreকেন্দ্রের হটস্পট তালিকায় রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা।
Read More