কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বেশ কিছুদিন যাবৎ ধরেই ভারত-চিন সীমান্ত ছিল উত্তপ্ত৷১৬ তারিখের রাতে যা পৌঁছয় চরমে৷চিনের বিশ্বাসঘাতকতার জন্য ২০জন ভারতীয় সেনার বলিদান দিতে হয়।কাঁটাতার লাগানো লাঠি, লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় চিন।ভারতের প্রত্যাঘাতের ফলে চিনের ৪৩ জন সেনা নিহত ও আহত হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে।’শহিদের এই বলিদান ব্যর্থ যাবে না’, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী৷ এই সবের জন্য দুই দেশের মধ্যে তৈরি হয়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতি৷যদি যুদ্ধ শুরু হয়, ক্ষমতা ও শক্তির নিরিখে কোন দেশ এগিয়ে থাকবে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা।
সূত্রের খবর, মার্কিন ওয়েবসাইট সিএনএন-এর কথায় শেষবার যখন ভারত-চিন মুখোমুখি হয়েছিল, তখন থেকেই বদলেছে পরিস্থিতি৷ বর্তমান পরিস্থিতিতে যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে ভারত৷
ভারত ও চিন দুই দেশের হাতেই রয়েছে পরমাণু ক্ষমতা৷গত বছর ভারতের হাতে কমপক্ষে ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র এসেছে৷ চিনের প্রায় ৩২০টি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, ভারতের ক্ষেত্রে তা ১৫০টি৷চিনের ২৭০টি ফাইটার জেট রয়েছে৷তা সত্বেও চিনা সীমান্তে ভারতীয় এয়ারবেসের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে৷যার থেকে সহজেই আক্রমণ চালানো যাবে৷ জিয়াংয়ং ও তিব্বতের এয়ারবেস অনেকটা উঁচুতে হওয়ার জন্য খারাপ আবহাওয়ায় চিনা বিমান বেশি অস্ত্র নিয়ে উড়তে সক্ষম নয়৷সেক্ষেত্রে ভারতের মিরাজ ২০০০ বা সুকয়-৩০ সব সময় যে কোনও আবহাওয়ায় উড়তে সক্ষম।পার্বতীয় সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে ভারত অনেকটা এগিয়ে।চিন শেষবার ১৯৭৯-তে ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে হেরে যায়৷ অপরদিকে কাশ্মীরে প্রতিনিয়ত পাক সেনার বিরুদ্ধে লড়ছে ভারতীয় বাহিনী৷তাই অভিজ্ঞতার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে ভারত৷তিব্বত ও LAC-তে ভারতের বাহিনীর সংখ্যা প্রায় ২লক্ষ ২০হাজার৷ অন্যদিকে চিনের ক্ষেত্রে তা প্রায় ২লক্ষ ৫০হাজার৷চিনের সৈন্য সংখ্যা বেশি হলেও, অবস্থানগত সুবিধার জন্য তিব্বতে, ভারত কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ।তাই চিনকে সমস্যায় ফেলতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।
লাদাখে অভিজ্ঞতার নিরিখে ভারত অনেকটা এগিয়ে চিনের থেকে

