কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি শুরু হয়নি। এর ফলে উদ্বিগ্ন পূর্ব বর্ধমানের গলসির কৃষকরা। সূত্রের খবর, সমস্যা মেটানোর জন্য গলসিতে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয় জেলাশাসকের । এক সপ্তাহের মধ্যে ধান কেনার কাজ শুরু করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাইস মিল মালিক পক্ষ । সূত্রের আরও খবর,সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন রাজ্যের শস্যগোলা হিসেবে পরিচিত পূর্ব বর্ধমানের গলসির কৃষকরা। উল্লেখ্য, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদক এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম হল গলসি। ওই সব এলাকার বেশিরভাগ রাইস মিল এখনও প্রশাসনের সঙ্গে চুক্তি না করায় ধান কেনার কাজ থমকে গিয়েছে। সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করার দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন কৃষকরা। এরপর রাইস মিল ছাড়াও বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে বলেও জানালো খাদ্য দপ্তর।
ধান কেনার কাজ শুরু না হওয়ায় মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন রাইস মিলের সামনে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন কৃষকরা। জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, গত বছর গলসি দু নম্বর ব্লকেই বিয়াল্লিশটি রাইস মিল ধান থেকে চাল তৈরির ব্যাপারে রাজ্য সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিল। এবার সেখানে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ টি রাইস মিল চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। এখনও অনেক রাইস মিল ধান কেনার কাজ শুরু করতে পারেনি। এই সমস্যা নিরসনে রাইস মিল মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জেলা প্রশাসন। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তির পর্ব মিটিয়ে ধান কেনার কাজ শুরু করে দেওয়া হবে বলে রাইস মিল মালিকরা প্রশাসনকে আশ্বাস দিয়েছে। জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে, ডিসেম্বর শুরু থেকেই পুরোদমে ধান কেনার কাজ শুরু হয়ে যাবে । রাইস মিল ছাড়াও সিপিসি ও ডিপিসির মাধ্যমে ধান কেনাও হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন গোষ্ঠীকে ধান কেনার কাজে যুক্ত হচ্ছে। একজন কৃষক নব্বই কুইন্টাল পর্যন্ত ধান সহায়ক মূল্যে বিক্রি করতে পারবেন।

