স্কুলে শিশুমনের বিকাশ?

Development of the child's mind in school

সন্তান স্কুলে পড়ে তাই চিন্তার অন্ত নাই। বাবা-মা অভিভাবকরা উদ্বেগে থাকেন। ছোট বাচ্চাগুলোকে একটু সুন্দরভাবে বাঁচতে দেওয়া উচিত। একদিকে পড়া যেমন থাকবে, পরীক্ষা যেমন থাকবে, তেমনি গান বাজনা-খেলাধুলাও থাকবে। পাশাপাশি খাওয়ার সময়ও থাকবে। থাকুক পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম। শিশু যেন সারাদিন পড়া নিয়ে আতঙ্ক না থাকে। বয়সটা আন্দাজ করে স্কুলগুলোকে তা বুঝতে হবে, তেমনি অভিভাবকদেরও বিষয়টা বুঝেএগোতে হবে।

অন্যদিকে টিচারদের বেতন দেওয়া হচ্ছে বলে বেশি ক্লাস,বেশি পড়া,বেশী পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে অভিযোগ, অনেকক্ষেত্রে বাচ্চাগুলোর সুন্দর জীবনটা ভয়ঙ্কর করে তোলার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিটা স্কুলের এইগুলো জানা বা বোঝা উচিত। স্কুল কর্তৃপক্ষও বিষয়টা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করা। প্রতিটা শিশু-কিশোর আজ নানা শারীরিক অমানসিক অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। স্কুলগুলো যদি একটু শিশু-কিশোর মনকে বুঝতে পারে তাহলে সমাজেরই উপকার হবে। অনেক ক্ষেত্রে সিলেবাস শেষ করার নামে এই শোষণ করার প্রবণতা কমাতেই হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *