ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত বাঙালির গবেষণায়
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল। ক্যান্সার চিকিৎসায় এইমসের বাঙালি চিকিৎসকের গবেষণা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। সূত্রের খবর, ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের সময় গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ু বাঁচাতে পারলেই রোগীরা কাটাতে পারবেন স্বাভাবিক জীবনযাপন। এইমসের বাঙালি চিকিৎসকের এই গবেষণা স্বীকৃতি মিলেছে আন্তর্জাতিক মহলের। “জার্নাল অব গাইনোকোলজিক সার্জারি”-তে এর প্রকাশ পেল। এই ঘটনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লির এইমস।
এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেই রোগীরা হতাশায় ভোগেন। এর থেকে জন্ম নেয় অবসাদ। নষ্ট হয়ে যায় স্বাভাবিক জীবনযাপন। যা “কোয়ালিটি অব লাইফ” নষ্ট বলেই বর্ণনা করেছেন ডাঃ মুকুরদীপি রায়। উল্লেখ্য, এইমসের সার্জিকাল অঙ্কোলজির অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন। এক্ষেত্রে হাতেনাতে ফল পাওয়ার জন্য অস্ত্রোপচারের সময় নেওয়া হয় বাড়তি যত্ন। বাঁচানো হয় “হাইপোগ্যাসট্রিক নার্ভ”। আবার মহিলাদের সারভাইকাল, এন্ডোমেট্রিয়াল, ওভারিয়ানের পাশাপাশি পুরুষদের পেনাইল, টেস্টিকুলার ও ব্লাডারের মতো “জেনিটাল অ্যান্ড ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ক্যান্সারে” মেলে সাফল্য। এ বিষয়ে ডাক্তার রায় আরও জানিয়েছেন, “হাই অ্যালার্ট জোনে” থাকা ওই স্নায়ু অস্ত্রোপচারের সময় নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। তবে সতর্ক হয়ে তা রক্ষা করতে পারলেই বজায় থাকে ব্লাডারের কাজ। সমস্যা হয় না অন্ত্রের। পালন করা যায় স্বাভাবিক জীবন।

