pregnency and west bengalMiscellaneous Trending News 

সন্তান জন্মানোর ৩ বছর পরও মানসিক অবসাদ থাকে মায়েদের :সমীক্ষা

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ‘পোস্ট প্রেগন্যান্সি’ নিয়ে বিশেষ তথ্য প্রকাশ্যে এল। সন্তানের জন্মের ৩ বছর পরেও প্রবল মানসিক অবসাদ থাকে। সমীক্ষায় এমনই তথ্য সামনে এসেছে। এক্ষেত্রে গবেষকরা জানিয়েছেন, ৬ মাসের মধ্যে অনেক মায়েদের ডিপ্রেশন চলতে থাকে। এই সময় মায়েদের মনের বিষয়ে খেয়াল রাখা বিশেষ জরুরি হয়ে পড়ে।এছাড়া ডায়াবেটিস বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যা থাকলে ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা বেড়েই যায় মায়েদের।সন্তানকে মানুষ করতে জেরবার হন মায়েরা। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের আরও বক্তব্য,সন্তানকে জন্ম দেওয়ার পর একটা মানসিক অস্থিরতার মধ্যে দিন কাটান নতুন মায়েরা।এই সময়টাতে আচমকা তৈরি হতে পারে ডিপ্রেশন। সাম্প্রতিক কালের একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্রতি ৪ জন মায়েদের মধ্যে ১ জন ডিপ্রেশনে ভুগছেন।সন্তান জন্মানোর পর সাধারণত প্রথম কিছু মাস ডিপ্রেশনে ভোগেন মায়েরা। বর্তমান পরিস্থিতিতে গবেষণা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, সন্তান জন্মানোর ৩ বছর বয়স পর্যন্ত চলতে পারে মাতৃত্বকালীন অবসাদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ হেলথ-এর গবেষণা অনুযায়ী জানানো হয়েছে,সন্তান জন্মানোর পর একাধিকবার মাতৃত্বকালীন অবসাদের শিকার হয়েছেন মায়েরা।এক্ষেত্রে ৫০০০ জন মহিলাকে নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়।তবে সবার ক্ষেত্রে ডিপ্রেশনের মাত্রা এক রকম নয়। কারও কারও ক্ষেত্রে সন্তান জন্মানোর পর ৩ বছর পর্যন্ত চলতে থাকে এই অবসাদ। অন্যদিকে পেডিয়াট্রিক্স জার্নালে প্রকাশ পাওয়া গবেষণা থেকে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন চিকিৎসকরা সন্তানপ্রসবের পর নতুন মায়েদের ১,২,৪ ও ৬ মাসে স্ক্রিনিং করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন।পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে ওই একই সময়ে মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও কথা বলে থাকেন চিকিৎসকেরা। কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে ঘন ঘন ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা থাকে মায়েদের, এমনটাই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী ডায়ান পুটনিক।
এই সময় মায়েদের খেয়াল রাখার জন্য কী কী করণীয় তাও জানিয়েছেন গবেষকমহল। মায়ের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। সময় মতো খাওয়া-দাওয়া করা এবং উপযুক্ত প্রোটিন ও ভিটামিনসহ সমস্ত স্বাস্থ্যকর উপাদান থাকাটাও জরুরি। ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজেরও প্রয়োজন রয়েছে। পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন। সাজগোজ করা, পোশাকের দিকে নজর রাখা সহ মেক-আপের দিকে নজর দেওয়া জরুরি। মন ভালো রাখার জন্য এগুলো খেয়াল রাখতে হবে। অন্যদিকে মানসিক শান্তির প্রয়োজন রয়েছে। নিজের ভালোলাগা বিষয়গুলোর জন্য সময় বের করতে হবে। বই পড়া, গান শোনা প্রভৃতি নানা বিষয় রয়েছে। নিজের জন্যসময় দিন। কোনও পছন্দের মানুষকে সঙ্গে রাখুন। নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করুন। আবার সামাজিক সম্পর্কগুলো বজায় রাখতে চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে মনে রাখা দরকার শুধু মা নয়, অন্যান্য সম্পর্কেও জুড়ে-জড়িয়ে রয়েছেন আপনি। অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটালে মন ভালো থাকবে।

Related posts

Leave a Comment