Goddess Kali is worshiped in various formsMiscellaneous 

দেবী কালী নানা রূপে পূজিতা

দেবী কালী কত রূপে পূজিতা হয়ে আসছেন। সেকাল থেকে একালে দেবী কালী নানা রূপে পুজো পেয়ে থাকেন। তাঁর নানা রূপই ভক্তদের কাছে পরিচিত হয়ে আসছে। মন্দিরে-গৃহাঙ্গনে-শ্মশানে দেবীর আরাধনা চলে। মহাভারতে- ঋকবেদে- সর্বশক্তিমান দেবীর উল্লেখ পাওয়া যায়। কোথাও বর্ণনা করা হয়েছে দেবী অন্ধকাররূপী এক মহাশক্তি। আমরা তাঁর আরাধনা করে চলেছি। দুঃখ- ক্ষয় ও মৃত্যুর সঙ্গে দেবী সম্পর্কযুক্ত। কালী মাতার বর্ণনায় উল্লেখ পাওয়া যায়, কৃষ্ণকায় দেবীর পরিধান। গাত্র ঘোর কৃষ্ণবর্ণ।রাত্রিদেবী হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে আছেন। দক্ষিণমুখী যার অবস্থান। ধর্মীয় প্রাচীন গ্রন্থাবলী, পুরাণ, মহাকাব্যে আবির্ভূতা কালিকা রূপে।

কালীর অস্তিত্ব-দেবত্ব ও আরাধনা হিন্দুধর্মে অন্য মাত্রা পায়। এক অতিভীষণা নারী। কালরাত্রি স্বরূপা নারী। আমরা রক্তবদনা- রক্তবসনা- রক্তমালাধারিণী ও কালরাত্রিরূপা দেবীর বর্ণনা পাই। রক্ষাকারিনী তিনি ষোড়শী। যার আশীর্বাদ ছাড়া মুক্তি মেলে না। মায়ের আশীর্বাদ গ্রহণ করুন। এ বছর কালীপুজো ইংরেজি আগামী ২০ অক্টোবর ২০২৫। বাংলা ২রা কার্তিক ১৪৩২সোমবার। দু-দিন ধরে থাকছে কার্তিকী অমাবস্যা। আগামী ২০ অক্টোবর রাত ১২টা ১১ মিনিটে শুরু অমাবস্যা। আগামী ২১অক্টোবর মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৩ মিনিট পর্যন্ত থাকবে অমাবস্যা। শাস্ত্রীয় পণ্ডিত- পুরোহিত বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উদয়া তিথি অনুযায়ী কৃষ্ণা চতুর্দশী হলেও কালীপুজো রাতে হয় বলেই ২০অক্টোবর রাতেই হবে মা কালীর আরাধনা।

মা কালীর প্রণাম মন্ত্র- “ওঁ জয়ন্তী মঙ্গলা কালী ভদ্রকালী কপালিনী। দুর্গা শিবা ক্ষমা ধাত্রী স্বাহা স্বধা নমোঽস্তুতে।”

Related posts

Leave a Comment