ধৈর্য্যহারা হলে কি করণীয়

What to do if you are impatient

জীবনে ধৈর্য্য হল আসল বিষয়। ধৈর্য্য না হলে জীবনে কিছুই হয় না। কিভাবে এটা বাড়াবে তা প্রথমে জেনে নেওয়া দরকার। নিজের জন্য সময় দেওয়া জরুরী। মাথা গরম করে কোনও কাজ হতে পারে না। ধৈর্য্য ধরেই সব কিছু করা প্রয়োজন। কখনও কখনও ধৈর্য্য হারিয়ে যেতে পারে। সেই সময় নীরব থাকাটাই শ্রেয়। সেই মুহূর্তে কোনও প্রতিক্রিয়া না দিয়ে থেমে যাওয়াটাই উচিত কাজ হবে।

কি করণীয় তা একনজর জেনে নেওয়া দরকার। ধৈর্য্যহারা হলে চোখ বন্ধ করে একটা গভীর শ্বাস নিতে হবে। মনকে শক্ত করতে হবে। খারাপ সময়টা কেটে যাবে। রোজ একটি কথাই মনে রাখতে হবে- মনে একটি ভাবনা রাখবেন, মানসিক কষ্টটা চিরকাল থাকবে না। এটা শুধু সান্তনা নয়, ধৈর্য্যকে আত্মবিশ্বাসে পরিণত করবে। মাথায় রাখবেন, ব্যর্থতা মানে অপমান নয়। আর এটাও মনে রাখবেন, জীবন সবসময় একরকম যাবে না। জীবনে পরিবর্তন আসবে। সব সময় সব কিছু যেমনটা চান, তেমন নাও হতে পারে। জীবনে ভুল হওয়াই স্বাভাবিক। অনেক সময় থেমে যেতে হয়। হারও মানতে হতে পারে। এতে মূল্য কমে যায় না।

মনে রাখা জরুরী যে, যা আপনার নিয়ন্ত্রণে নেই, তা মেনে নিতে হয়। সবকিছু আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। মানুষের মন, পরিস্থিতি ও আচরণ সব সময় হাতে থাকে না। এই সহজ সত্যটা মেনে নিন, দেখবেন ধৈর্য্য নিজেই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। মাঝে মাঝে নীরব থাকতে চেষ্টা করবেন। ধৈর্য্যহারা হলে ফোন বন্ধ রাখতে পারেন। কারও সঙ্গে কথাও না বলতে পারেন। নিঃশব্দতা মনকে ধীরে ধীরে সুস্থ করে তোলে। জীবনের বাস্তবতা হল- ধৈর্য্যশীল মানুষরাই বেশি আঘাত পেয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *