বিজ্ঞান-স্বাস্থ্যসম্মত পথে মানুষকে নিরাপদে রাখার বার্তা- ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে-তে
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে ২০২০। মানবসভ্যতার উন্নতি ও শান্তির লক্ষ্যে এই দিনটির বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
বিজ্ঞান ছাড়া আমাদের এক পা-ও এগিয়ে যাওয়ার কোনও উপায় নেই।
মানবসভ্যতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জুড়ে-জড়িয়ে রয়েছে বিজ্ঞান। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের ১০ তারিখ এই দিনটি পালিত হয়। মানুষ যা কিছুর বলে এই পৃথিবীর অন্য প্রাণীদের থেকে এগিয়ে গিয়েছে তাও বিজ্ঞান। সমাজে শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা পাওয়ার পিছনেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে।
ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে-র ইতিহাস বলতে আমরা জানি- এই দিনটির উদযাপনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ১৯৯৯ সালটি । ওই বছর বুদাপেস্ট শহরে বিজ্ঞানের যে বিশ্ব সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সেখান থেকেই এই দিনটির উৎপত্তি হয়েছে। এরপর ২০০১ সালে ইউনেস্কো এই দিনটিকে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে ফর পিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বলে আখ্যা দিয়েছে। নানা সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেই মতো এই দিনটি পালন করে থাকে।
আবার ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে-র লক্ষ্য বলতে বোঝানো হয়েছে- এই দিনটির সঙ্গে বিশেষ ভাবে জড়িয়ে রয়েছে দুটি শব্দ। তা হল- শান্তি এবং উন্নয়ন। বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আশীর্বাদ এবং অভিশাপের যুগ্ম ভূমিকা রয়েছে। একদিকে পরমাণু বোমা, যা বিশ্ব ধ্বংস করে দিতে পারে। তা তো বিজ্ঞানেরই অবদান। যাবতীয় নেতিবাচক দিক দূরে সরিয়ে রেখে প্রাত্যহিক জীবনে কীভাবে বিজ্ঞানের আশীর্বাদটুকুই শুধু গ্রহণ করা যায়, তার প্রসারই হল এই দিনটি উদযাপনের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি কুসংস্কার দূরে সরিয়ে রেখে বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসারেও নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে আরও জানা গিয়েছে,চলতি বছরে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে-র থিম হল- বিশ্বের তৎকালীন ভূমিকায় প্রাসঙ্গিক দিকগুলি নিয়ে কাজ করে চলা। এ বছরের থিমে প্রাধান্য পেয়েছে গোটা বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ ভাইরাসের সংক্রমণের দিকটি। একমাত্র বিজ্ঞানের সহায়তাতেই এই মারণব্যাধির সঙ্গে লড়াইয়ে জয়লাভ করা সম্ভব। সমগ্র পৃথিবীর নানা প্রান্তে বিজ্ঞানীরা কাজ করে চলেছেন এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার নিয়ে। এই প্রয়াসও উদযাপন করছে ২০২০ সালের ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে। কী ভাবে বিজ্ঞান এবং স্বাস্থ্যসম্মত পথে সমাজ ও মানুষকে নিরাপদ রাখা যায়, সেই বার্তাও প্রচার
করে চলেছে ওয়ার্ল্ড সায়েন্স ডে।

