পুজোর বাজারে তাঁতের কাপড়ের চাহিদা বাড়লে স্বস্তি তাঁত-শিল্পীদের
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক:পুজোর আগে খুলে যাচ্ছে কাপড়ের হাট। এই খবরে খুশি তাঁত শিল্পীরা।করোনা আবহে গত ৬ মাস বিক্রিবাটা পুরোপুরি বন্ধ ছিল। এই পরিস্থিতিতে চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাতে হয়েছে তাঁত শিল্পীদের।স্থানীয় সূত্রের খবর,বর্ধমান শহরের বীরহাটা নবাবহাটে তাঁত কাপড়ের হাট বসত। করোনার জেরে তা বন্ধ হয়ে যায়। এখন তা চালু হওয়ার অবস্থা তৈরি হয়েছে। করোনার প্রভাব কিছুটা উন্নতি হতেই আবার চালু হল তাঁত কাপড়ের হাট। এক্ষেত্রে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেলেন বিক্রেতা থেকে শুরু করে তাঁত শিল্পী ও তাঁত শ্রমিকরা । স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, ভাতার কৃষক বাজারে প্রতি সোমবার তাঁত বস্ত্রের হাট হয়। তা বন্ধ ছিল করোনার কারণে। আবার চালু হয়েছে। প্রথম দিন ক্রেতার দেখা সেভাবে না পাওয়া গেলেও হাট চালু হওয়ায় খুশি বিক্রেতারা।
আবার পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ও কালনার ধাত্রীগ্রামের হস্তচালিত তাঁতের শাড়ির চাহিদা রয়েছে। অন্য বছর ছ’মাস আগে থেকেই দুর্গাপুজোর কথা ভেবে বরাত দিয়ে যান কাপড়ের ব্যবসায়ীরা। পুজোর সময় ব্যস্ততা বাড়ে তাঁত শিল্পীদের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের। তাঁতের ঠকাঠক শব্দ শোনা যায় এলাকাগুলিতে । এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার বরাত দিতে পারেননি ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে পুঁজি না থাকায় কাপড় তৈরি করতে পারেননি তাঁত শিল্পীরাও। করোনা সংক্রমণ কিছুটা কম হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক। ছোট ছোট অর্ডার আসছে তাঁত শিল্পীদের। তাঁদের বক্তব্য, কাজ একেবারেই ছিল না। এখন কিছু কিছু অর্ডার আসছে। ঘরে কিছু কাপড় মজুত থাকায় এখন তা স্বল্প সংখ্যক বিক্রি হচ্ছে। সরকারিভাবে জানা গিয়েছে,ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে তাঁত শিল্পীদের কাছ থেকে সরাসরি কাপড় কেনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তন্তুজ।আবার তাঁত হাটগুলিতে সরাসরি কাপড় বিক্রি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন শিল্পীরা। লোকাল ট্রেন চলাচল এখন বন্ধ। বেসরকারি বাস চলাচলও সেভাবে নেই। অনিয়মিত। পুজোর বাজারে তাঁতের কাপড়ের চাহিদা বাড়বে বলেই মনে করছেন তাঁত শিল্পীরা।

