Dol & HoliMiscellaneous Trending News 

বসন্তে রঙে রঙিন শান্তিনিকেতন

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : আম্রমুকুল আর পলাশের সমারোহে বোঝা যায়, ‘বসন্ত এসে গেছে’। মনকে রাঙিয়ে তোলার জন্য মূলত এই ‘ঋতু ও দোল উৎসব’। অন্যদিকে শান্তিনিকেতনের উৎসব ঘিরে থাকে উন্মাদনা। তবে করোনা আবহে এবার ভিন্ন ভাবনা। বসন্তোৎসবকে কেন্দ্র করে রঙিন হওয়ার পর্বও থাকে। বসন্তের আনন্দে শান্তিনিকেতন অন্যমাত্রা পায়। এই উৎসবে কোনও ধর্মীয় অনুষঙ্গ নেই। হয়ে উঠেছে সার্বজনীন ও সর্বাঙ্গীন। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূণ্যভূমিতে কৃষ্ণচূড়া ও পলাশের রঙ। এখানে আবিরের পরশে রঙিন হয়ে ওঠে সবকিছু। ১৯০৭ সালে গুরুদেবের ছোট ছেলে, বালক শমীন্দ্রনাথ খেলারচ্ছলে এর সূচনা করেছিলেন। দোলযাত্রা তিথি-নক্ষত্র মেনে হলেও শান্তিনিকেতনের বসন্তোৎসবের তেমন কোনও রীতি-রেওয়াজ নেই।
অন্যদিকে শ্রীকৃষ্ণ বৃন্দাবনে ঠিক কবে রঙের উৎসব চালু করেছিলেন, তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে। শান্তিনিকেতনে শমীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঋতুরঙ্গ উৎসবের কথা জানা যায় বিশ্বভারতীর কথা-কাহিনী থেকে। তবে আশ্রমিকদের সেই উদযাপন হতো বসন্তের যে কোনও দিনে। এরপর শুধুমাত্র বসন্ত পূর্ণিমার দিনেই এই উৎসবের সূচনা হয়। ১৯৩২ সালে থেকে এটি ‘বসন্তোৎসব’ নামেই পরিচিতি হয়ে আসছে।

Related posts

Leave a Comment