শীতের শহরে দূরত্ব-বিধি মেনে সঙ্গীত
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : নব্য রীতি মেনেই শীতের শহরে ফিরছে সঙ্গীত। সূত্রের খবর, দর্শক-শূন্য স্টেডিয়ামে আইএসএল বা টেস্ট ক্রিকেট হচ্ছে। উল্লেখ করা যায়, শিল্পীরা মিলে অনুষ্ঠান আর ভাল লাগছে না, এমনটাই জানিয়েছে শিল্পীদের একটা অংশ। অন্যদিকে আবার অনুষ্ঠানে গেয়ে শ্রোতাদের সঙ্গে আগের মতো নিজস্বী তুলতে কিছুটা আশঙ্কাও থাকছে শিল্পীদের। এক্ষেত্রে তবলা-শিল্পীদের বক্তব্য, করোনা আবহে সমীহ করতেই হবে। এই সময় কারও জীবনযাপন পুরোপুরি নিরাপদ নয়।
শিল্পীরা ছাড়াও বাকিরা মাস্ক পরেই অনুষ্ঠান শুনছেন। ঘরবন্দি অপেক্ষা চলেছে করোনা আবহে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে পা রাখা হয়েছে। এরপর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি ডোভার লেনের সঙ্গীত সম্মেলনও সম্ভবত বাদ যাবে না। শহরের সঙ্গীত ঐতিহ্য মনে হয় অক্ষুণ্ণ থাকবে এটি। কিছুদিন বাদে সব কিছুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে, এমনটাই জানা গিয়েছে।
আবার বেহালা সাংস্কৃতিক সম্মিলনীর আয়োজনে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের আসর শহরকে সাহস জোগাতে চলেছে। চলচ্চিত্র উৎসবের মতো বেহালার সঙ্গীতানুষ্ঠানও হচ্ছে নানা স্বাস্থ্য বিধিনিষেধ মেনে। এক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, আগে পাশাপাশি ২৬ জনের বসার জায়গা থাকত। এবার সেখানে দূরত্ব বাড়িয়ে খুব বেশি হলে ১৬ জন বসতে পারবেন। ভিড় অর্ধেকেরও কম। আগামী ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে সম্মেলন। অন্যদিকে অনলাইনে দেখা ও শোনার জন্য কিছু টিকিটের বন্দোবস্তও থাকছে।
সূত্রের খবর, এই আবহে কলকাতাকে দেখে আশাবাদী দেশের সব থেকে বড় সঙ্গীতানুষ্ঠান পুণের ‘সোয়াই গন্ধর্ব ভীমসেন মহোৎসব’-ও। এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, এই অনুষ্ঠানে ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ টিকিট কেটে আসেন। ডিসেম্বরে করোনা-বিধি মেনে ছোট হলে আসর বসানো সম্ভব হয়নি। করোনা আবহ নিয়ন্ত্রিত হলে ২০২১ সালে ২ বার উৎসব করা হবে। এ বিষয়ে জানা গিয়েছে, রবিশঙ্করের জন্মশতবর্ষের বছর ২০২০ সাল করোনা আবহে বিপর্যস্ত ছিল। ২০২১ সালে ভীমসেন যোশীর শতবর্ষ। সেই শতবর্ষ অনুষ্ঠানের সূচনায় সোয়াই গন্ধর্বের পক্ষ থেকে গোটা দেশে বা দেশের বাইরেও কিছু অনুষ্ঠান শুরু করতে পারেন। ফেব্রুয়ারি মাসে পুণেতে কিছু অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ভীমসেন যোশীর কলকাতা-যোগ থাকায় শহরেও অনুষ্ঠান করানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

