Iodin prevents corona infectionMiscellaneous 

আয়োডিন কোভিড -১৯ ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছু দেশ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আটকানোর জন্য কঠোরভাবে সামাজিক নিয়মগুলি পালন করে চলেছে, তা সত্বেও ভারতে এখনও এই রোগ নিয়ন্ত্রণের বাইরেই রয়েছে। এখানে নাগরিক সচেতনতা ও সামাজিক দূরত্ব ছাড়াও মাস্কের ব্যবহারকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। এই কারণেই আমাদের দেশে সংক্রামিত করোনার সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ লক্ষেরও বেশি। করোনার প্রতিরোধে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন গবেষণাও চলছে। নতুন একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে, আয়োডিনের সাহায্যে করোনা ছড়িয়ে পড়ার থেকে রোধ করা যেতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অফ কানেকটিকাট স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকদের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, আয়োডিন দ্রবণ করোন ভাইরাস ছড়াতে ও রোগ সৃষ্টি করতে বাধা দেয়। অটোলরিনজিওলোজি- হেড এবং নেক সার্জারিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এই বিষয়গুলি প্রকাশ পেয়েছে। এই গবেষণার সময় গবেষকরা তিনটি পৃথক পৃথক আয়োডিনের দ্রবণ ০.৫ শতাংশ, ১.২৫ শতাংশ এবং ২.৫ শতাংশের প্ৰত্যেকটিতেই ভাইরাসের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করেছিলেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, সবচেয়ে লঘু ঘনত্ব ০.৫ শতাংশ সহ প্রত্যেকটি ঘনত্বই ভাইরাসটিকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করতে পারে। গবেষকদের মতে, ভাইরাসটি ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ০.৫ শতাংশের ঘনত্বে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিল। একই পরীক্ষা ইথাইল অ্যালকোহলের সাথে সঞ্চালিত হলেও এটি কোনও সন্তোষজনক ফলাফল দেখায় নি।

একটি প্রতিবেদনে আরও প্রকাশিত হয়েছে যে, আয়োডিন দ্রবণটি SARS এবং MERS -এর সংক্রমণের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, আয়োডিনের দ্রবণ জীবাণুনাশক হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া নাকের মাধ্যমে রোগীর মধ্যে প্রবেশ করিয়েও সংক্রমণ রোধ করা যায়। এইভাবে অ্যারোসোলের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে। শুধু এটিই নয়, এটি ওয়েটিং রুম, হাসপাতাল এবং ক্লিনিকগুলিতে ভাইরাসের বিস্তার রোধ করতেও সহায়তা করবে। গবেষকরা আরও বলেছিলেন যে, এই পদ্ধতিটি করোনা পজিটিভ রোগীদের মধ্যে করোনার গুরুতর লক্ষণগুলির ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। আয়োডিনের লঘু দ্রবণ ভাইরাল লোড হ্রাস করার পাশাপাশি ফুসফুসকেও ভাইরাস থেকে রক্ষা করে।

Related posts

Leave a Comment