DeputationMiscellaneous 

কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে অবস্থান বিক্ষোভ

আমার বাংলা কাজকেরিয়ার নিউজ ডেস্ক, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ এই অতিমারীর সময়ে সারা রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের ডাক্তাররা নন কোভিড রোগীদের স্বার্থে আজ ২ দিন কোভিডের চিকিৎসা করার পাশাপাশি অবস্থানে বসেছেন। আজ সকালে ডিএমই, ডিএইচএস সেক্রেটারি মেডিকেল কলেজে এসে প্রথম বক্তব্য রাখেন। তিনি জানান, আমি এখানে আলোচনা নয় সিদ্ধান্ত শোনাতে এসেছি এবং জানাতে এসেছি মেডিকেল কলেজ সুপার স্পেশালিষ্ট কোভিড হাসপাতাল হবে।
জানা যায় ,ঘেরাও এবং আন্দোলনের চাপে এবার সেই মিটিং তাঁরা স্বাস্থ্য ভবনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ডিএইচএস, পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পুরোধা সেখানে বক্তব্যে জানিয়েছেন , আজ যদি একটা হাসপাতাল বন্যার জলে ভেসে যেত, বৌবাজারে যদি জল বেড়ে যেত তাহলে? তাহলে পেশেন্টরা কী করতো? তাহলে তো তাঁদের অন্য হাসপাতালেই যেতে হত।জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষ থেকে বলা হয়, যে তাঁরা একটা প্যানডেমিক সামলাচ্ছে। তাঁরা হাজার হাজার পেশেন্ট দেখে সারাদিন। তাই তাঁদের কাছে এটা হাস্যকর বলে মনে হচ্ছে যে, একটা গ্লোবাল প্যানডেমিকের সাথে বৌবাজারে বন্যার মত অ্যানালোজি দেখে।জুনিয়র ডাক্তারদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, এই মুভমেন্ট মানুষের মুভমেন্ট। যাতে মানুষ না হয়রান হয়, যাতে কোভিড এবং নন কোভিড সব পেশেন্টই মেডিকেল কলেজে সঠিক চিকিৎসা পায়, আপনারা ভাবতেই পারেন স্বাস্থ্যব্যবস্থা যদি বানে ভেসে যায় তাহলে কী হবে? আমরা ভাবতে পারি না । আমরা ভাববো না। এই মুভমেন্ট মেডিকেল কলেজের নয়,এই মুভমেন্ট প্রতিটা সচেতন মানুষের, তাঁদের বিরুদ্ধে যাঁরা মনে করেন চাইলেই বানের জলে ভাসিয়ে দেওয়া যায় একটা স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

আজকের মিটিং এর আদায় হিসেবে একটা এক্সপার্ট কমিটি তৈরি হবে। ঠিক হয়েছে , ওই কমিটিতে আমাদের প্রতিনিধিরাও থাকবে ,তাঁরা বিভিন্ন বিল্ডিং দেখে ঠিক করবেন, কোভিড বা নন কোভিড কোন বিল্ডিং এ করা যাবে বা যাবে না।
এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে , যতক্ষণ না মেডিকেল কলেজে সঠিক প্ল্যান মেনে কোভিড এবং নন কোভিডের চিকিৎসা শুরু হচ্ছে, ততদিন আমরা চিকিৎসা করবো এবং তার সাথে সাথেই এই অবস্থান চলবে।
এই মুভমেন্ট মেডিকেল কলেজের মুভমেন্ট নয় শুধু, এটা একটা গোটা বেহাল স্বাস্থ্যব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর জন্যে গড়ে তোলার প্রতিরোধ, সব থেকে ওপরের পদে বসে আমার আপনার স্বাস্থ্য বানের জলে ভেসে যাওয়ার কথা যেন আর কোন আমলা আমাদের মুখের সামনে না বলতে পারেন, এই স্বাস্থ্য আমাদের অধিকার, সেটা ফেলনা নয়, এটা বুঝিয়ে দেওয়ার সময় হয়েছে। এই স্বাস্থ্যব্যবস্থার পরিবর্তন ডাক্তার রোগী একসাথে মিলেই করতে হবে আর আমরা সেটা করেই ছাড়বো।

Related posts

Leave a Comment