কাজের জগৎ : ফ্রিল্যান্সিংয়ের চাহিদা
কাজের জগৎ ক্রমশ বদল হচ্ছে। বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের চাহিদা বেড়ে চলেছে। বলা যেতে পারে ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিশ্ব। এখন অনেকেই ধরাবাঁধা চাকরি করতে চান না। একটা গন্ডির মধ্যে নিজেদের আবদ্ধ রাখতেও তাঁরা চান না। নিজেদের জন্য সময় রাখতেই তাঁরা চান। গতানুগতিক জীবনের বাইরে থাকতেই অনেকে ভালোবাসেন। তাই তাঁরা ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে ভাল উপার্জন করে থাকেন। প্রচলিত নিয়ম মেনে অফিস না করে ঘরে বসে কাজ করে থাকেন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে। একটু চোখ খোলা রাখলেই বা নজর করলেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ পেতে পারেন। এখন “ওয়ার্ক ফ্রম হোম”-এর বিষয়টি এসেই যায়। ফ্রিল্যান্সিংয়ের সুযোগ পেতে পারেন কয়েকটি ক্ষেত্রে। যেমন- (১)ডেটা অ্যানালিটিক্স (২)ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এছাড়াও রয়েছে মাইক্রোসফট অফিস,কপি টাইপিং,ট্রান্সক্রিপশন প্রভৃতি ফ্রিল্যান্সিং কাজ।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের এই সব ক্ষেত্রগুলিতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বর্তমান বাজার বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন,ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ডেটা অ্যানালিটিক্সের চাহিদা অনেক উঁচুতে। একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে,২০২৩ সালে ডেটা অ্যানালিটিক্সের বাজারের আয়তন হয়েছে প্রায় ২৭৫বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আবার চাহিদা সম্পন্ন কর্মীর চাহিদা বেড়েছে ৬০ শতাংশের কাছাকাছি।
এক্ষেত্রে দক্ষ হয়ে উঠতে পারলে অনেক পরিকল্পনা নিতে পারবেন। দক্ষতা বাড়লেই বাড়তি আয়ের পথ খুঁজে নিতে পারবেন। আজ এই পর্যন্ত।

