air polution and winterMiscellaneous Trending News 

শীতে বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়তে থাকে সাবধানে থাকার পরামর্শ

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে বাতাসের গুণগত মান হবে খারাপ। দূষণ থেকে বাঁচার জন্য মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। তাপমাত্রা কমলেই বায়ুদূষণের মাত্রা বাড়তে থাকে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বলছেন, ছোট-ছোট ক্ষতিকারক ধূলিকণা মানুষের শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ করে বিপদ ঘটাতে পারে। আবার বাতাসে উপস্থিত ধোঁয়া, কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন থেকে শুরু করে একাধিক ক্ষতিকর উপাদানের জেরে অ্যাজমা, ফুসফুসে সংক্রমণ, হাঁপানিসহ একাধিক রোগ দেখা দিতে পারে। প্রতিদিনের যানবাহন, কলকারখানা সহ নানাবিধ দূষণ থেকে পালিয়ে যাওয়াও সম্ভব নয়। এই অবস্থায় নিজেকে সাবধানে থাকতে হবে। দূষণ থেকে রক্ষা পেতে চেষ্টা করতে হবে।
“কেমিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ” জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সমীক্ষার সঙ্গে যুক্ত গবেষকরা জানিয়েছেন, শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সীদের সকলের শরীরেই বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। এটি ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। বায়ুদূষণের প্রভাবে ডিমেনশিয়া, অটিজমসহ নানা ধরনের নিউরোলজিকাল ডিজঅর্ডার দেখা দিতে পারে। আবার অ্যাজমা, ফুসফুসে সংক্রমণ, হাঁপানিসহ একাধিক রোগওদেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বায়ুদূষণের প্রভাবে প্রসূতির শরীরেও নানা প্রভাব পড়ে। বাচ্চার ক্ষতিও হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক্ষেত্রে জানিয়েছে, বায়ুদূষণ তথা বাতাসের গুণগত মান হ্রাস পাওয়ায় বিশ্বজুড়ে প্রায় ৪.২ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর জন্য দায়ী ইনডোর পলিউশনও।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদৃষণের জেরে অসুস্থ হওয়া বা মৃত্যুর পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা গিয়েছে,সমস্ত রোগ ও মৃত্যুর ২৯ শতাংশই ফুসফুসে ক্যানসারের কারণে হয়েছে। এর মূল কারণ হল বায়ুদূষণ। আবার বায়ুদূষণের জেরে অ্যাকিউট লোয়ার রেসপিরেটরি ইনফেকশন হয়। বিশ্বে মোট মৃত্যু ও রোগের ১৭ শতাংশই এই পরিস্থিতির কারণে হয় । স্ট্রোকে মৃত্যুর ২৪ শতাংশের পিছনেও রয়েছে বায়ুদূষণ। বায়ুদূষণের জেরে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ হয়ে থাকে। বিশ্বে মৃত্যু ও রোগের প্রায় ৪৩ শতাংশই এই রোগের কারণ। বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচার জন্য চিকিৎসক ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

Related posts

Leave a Comment