Hand LoomMiscellaneous 

নতুন শাড়ি বোনার ক্ষেত্রেও উৎসাহ হারাচ্ছেন তাঁতশিল্পীরা

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : কাটোয়ায় তাঁতশিল্পীদের শাড়ি বিক্রি নিয়ে আশঙ্কা বেড়েই চলেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, লকডাউনের সময় বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাটোয়ার তাঁতশিল্পীদের ঘরে জমে রয়েছে প্রচুর শাড়ি। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। আবার পুজোর আগে শাড়ি বিক্রি হবে কি না, সেই আশঙ্কা রয়েই গিয়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, টাঙ্গাইল থেকে জামদানি-সহ বাংলার তাঁতের শাড়ি ঘরে ঘরে মজুতও হয়ে রয়েছে। আবার করোনা আবহে ট্রেন বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা শাড়ি কিনতে যেতে পারছেন না। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন শাড়ি বোনার ক্ষেত্রেও উৎসাহ দেখা যাচ্ছে না তাঁতশিল্পীদের। এক্ষেত্রে মূল কারণ হল– বাজার ও বর্তমান পরিস্থিতি।

এ বিষয়ে তন্তুজের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানিয়েছেন, আমরা তাঁতের শাড়ি কেনার কাজ শুরু করেছি। শাড়ির গুণমান ভাল হলে আমরা কিনে নেব। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জায়গায় সেই উদ্যোগ শুরু করা হয়েছে। তবে কাটোয়ার ক্ষেত্রেও আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি। এখানকার পানুহাটে যাতে তাঁতশিল্পীরা শাড়ি বিক্রি করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করব। উল্লেখ্য, কালনা মহকুমা তাঁত অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে বিশেষ পরিচিত। কাটোয়াতেও তাঁতশিল্পীদের সংখ্যাও অনেক বেশি। লকডাউন চলাকালীন সময়ে তাঁতশিল্পীরা ঘরে বসে অনেক শাড়ি বুনেছেন। এক্ষেত্রে বিক্রির সুযোগ না থাকায় তা তাঁদের ঘরেই জমে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, পূর্বে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা শিল্পীদের ঘরে এসে তাঁতের শাড়ি কিনে নিয়ে যেতেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভবও হচ্ছে না। মহকুমা জুড়ে প্রায় ৩০টি তাঁত সমবায় সমিতি রয়েছে। আবার সমবায়গুলিতেও প্রচুর শাড়ি জমে গিয়েছে। সব মিলিয়ে সমস্যা বেড়েছে তাঁতশিল্পীদের।

Related posts

Leave a Comment