বকখালির কাছে নতুন ভ্রমণের ঠিকানা “কালীস্থান”
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: রয়েছে বকখালি,তারপর ফ্রেজারগঞ্জে নতুন ভ্রমণের ঠিকানা হয়ে দাঁড়িয়েছে কালীস্থান। এখানে নীল আকাশের নিচে রয়েছে বালির চাদর। জোয়ারে ছোট্ট একটি খারিতে নৌকা চড়ার আনন্দও রয়েছে। রোমাঞ্চকর পরিবেশে ভিন্ন এক অনুভূতি। নির্জন পরিবেশে মন ভরে উঠবে। সমুদ্র, ঝাউ গাছ সহ আরও নানা আয়োজন। বকখালির কথা সবার জানা। বেশিরভাগ পর্যটক ওখানে ভিড় করেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, ফ্রেজারগঞ্জ পঞ্চায়েত এলাকায় নতুন মোহময়ী সৈকতের নাম হল কালীস্থান । এই কালীস্থানের মাহাত্ম্য অনেক। কালী ঠাকুরের নামেই নাম হয়েছে কালীস্থান।
স্থানীয়ভাবে কথিত রয়েছে – এই কালী খুব জাগ্রত। জানা যায়, কালী মাতা এক ভক্তকে স্বপ্ন দেখিয়ে জানিয়েছিলেন, তাঁর ছেলেরা নদীতে জীবন হাতে নিয়ে বাঁচার লড়াই করে । তাই এভাবেই ঐশ্বর্য্যহীন ভাবে থাকেন তিনি । নদীর পাড়ে ও জঙ্গলে কালী প্রহরী রূপে থাকেন। এই কালীস্থান বঙ্গোপসাগরের ঠিক মোহনার মুখে অবস্থিত।পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে লুথিয়ান নদী। ঠিক ওপারে লুথিয়ানের জঙ্গল । আর লম্বা বালির সৈকত দেখা যাবে। ডান দিকে গরান ও বানীর জঙ্গল। সেই জঙ্গল মুগ্ধ করবে। সুন্দরবনের আসল বিষয় হল -সুন্দর রূপ। সারাদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ওখানে কাটাতে পারেন।
স্থানীয়ভাবে আরও জানা গিয়েছে,বকখালি থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এটি । সন্ধ্যাবেলায় নদীর চরে বসে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার। অর্ডার দিলেই পুকুরের জ্যান্ত মাছ চিংড়ি কিংবা দেশী মুরগীর ঝোলের স্বাদ পেতে পারবেন। স্বল্প দামে সব কিছু মিলবে। ডিনার সেরে ফিরে যেতে হবে বকখালি লজে। এখানে থাকার আবাসন তৈরি হয়নি। তবে হোম স্টের ব্যবস্থা হয়ে থাকে। ওই গন্তব্যে যেতে হলে নামখানা থেকে বাসে করে বকখালির আগে কয়লা ঘাটা বাস স্টপেজে নামতে হবে। ভ্যান অথবা টোটোতে করে কালীস্থান যাওয়া যায়। ভাড়া ১০ টাকা জন পিছু। বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা এখানে পৌঁছাতে। পর্যটকদের ভ্রমণের পাশাপাশি মায়ের দর্শনও হচ্ছে কালীস্থানে।

