ঘরোয়া উপায়ে রোগ নিরাময়ে পেস্তা বাদাম উপকারী
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ঘরোয়া উপায়ে রোগ নিরাময়ে পেস্তা বাদামের বিশেষ উপকারিতা রয়েছে। আয়ুর্বেদের ভাবনায় এটি মধুর রসযুক্ত ও বাতনাশক। পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবেও পরিচিত। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেস্তা গুরুপাক, স্নিগ্ধ, বলকর, রসায়ন গুণ-সম্পন্ন ও কফপিত্ত বর্ধক। পাশাপাশি অগ্নিবর্ধক, স্মৃতিবর্ধক, দাঁত, মাড়ি, হৃদয় ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধক হিসেবে কাজ করে থাকে। কাশি-অতিসার-বমন-হিক্কা-পিপাসা-কোষ্ঠবদ্ধতা নষ্ট করার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব রয়েছে।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, এতে প্রোটিন, ফ্যাট, ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, ক্যালশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন-এ, বি প্রভৃতি রয়েছে। সমস্ত বাদামের মধ্যে পেস্তাতে ক্যালোরির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, এটি কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমিয়ে উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণ করে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। অন্য বাদামের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে খেলেও বিশেষ ক্ষতি হয় না।
এটি মূলত অপুষ্টি, যাবতীয় দুর্বলতা, দুর্বল স্মৃতিশক্তি, বাতের প্রকোপ, অগ্নিবলের হ্রাস, ভুলে যাওয়া, যে-কোনও কাজে অনীহা প্রভৃতির লক্ষণ দেখা দিলে খেতে হবে। এক্ষেত্রে পেস্তার শাঁস ৩-৫ গ্রাম মাত্রায় দিনে একবার বা দু-বার খাওয়া যেতে পারে। খাওয়ার নিয়ম হল- চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে। আবার জলে বেটে সরবতের মতো খাওয়া যায়। খাওয়ার সময় হল, সকালে খালিপেটে একবার ও বিকেলে একবার।

