পূর্ব বর্ধমানে মাজিবাড়িতে শাকম্বরী রূপে দেবী-দুর্গার পুজো
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের মাজিবাড়িতে সাত রকমের শাক দিয়ে দেবী দুর্গার পুজো হয়ে থাকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, চতুর্থীর দিনে দেবী পুজো পান শাকম্বরী রূপে। ওইদিন সাত শাকের ভোগ দেওয়া হয়ে থাকে। পাশাপাশি সারা বছর একই আসনে পুজো পেয়ে থাকে কালী ও দুর্গা। আবার পুজো হয়ে থাকে ১৫ দিন ধরে। প্রতিবারই মহালয়ার ৭ দিন আগে বোধনের মাধ্যমে পুজোর সূচনা হয়।এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সাত শাকের ভোগ দেওয়া হয়ে থাকে। এই জেলার আউশগ্রামের ঘোঘাতলায় বংশ পরম্পরায় এই রীতি-রেওয়াজ চলে আসছে।স্থানীয় সূত্রের আরও খবর,কাঁকসার গড় জঙ্গলে রয়েছে বহু প্রাচীন শ্যামারূপার মন্দির।
জঙ্গলের ভিতর এই মন্দিরে বহু ভক্তের সমাগম হয়ে থাকে। অনেক মানুষ এখানে মানত করতে আসে। ছাগ বলি দেওয়ার প্রথাও রয়েছে। সবাব আগে হয় চাল- কুমড়ো বলি। জানা গিয়েছে,বংশ পরম্পরায় সেই চাল কুমড়ো আসে আউশগ্রামের ঘোঘাতলা গ্রামের মাজিবাড়ি থেকে। আবার একই ঘরে পুজো পান দুর্গা ও কালী।এক্ষেত্রে মা সিদ্ধেশ্বরী রূপে পুজো পেয়ে থাকেন কালী।অন্যদিকে দেবী দুর্গা সিংহবাহিনী। মহিষ ও মহিষাসুর থাকলেও লক্ষ্মী -গনেশ -কার্তিক ও সরস্বতী নেই।প্রাচীন প্রথা মেনে এখানে পুজো হয়। স্থানীয়ভাবে জানা যায়,ইদুঁরের গর্ত থেকে মাটি নেওয়ার পর মাটির ওপর বোধনের সময় ঘট স্থাপন করা হয়ে থাকে। ঘটের ওপর দেওয়া হয় ৫ রকম কলাই। চতুর্থীর দিনে শাকম্বরী পুজোয় শুসনি, কলমি, লাল খাঁড়া, লাউ, কুমড়ো, পালং, পুনকো প্রভৃতি সাত শাকের ভোগ নিবেদন করা হয়ে থাকে দেবীকে।

