মহাকাশের গন্ধযুক্ত পারফিউম এবার নাগালে
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : মহাকাশের গন্ধে তৈরি পারফিউম আনতে চলেছে নাসা। নভশ্চরদের অভিজ্ঞতা নির্ভর পিয়ার্সের “পারফিউম” এবার প্রবেশ করবে সাধারণ মানুষের ড্রেসিংরুমেও। পেশায় কেমিস্ট স্টিভ পিয়ার্সের কাজটি ছিল অত্যন্ত কঠিন। মহাকাশের গন্ধ তৈরি করা সাধারণ ব্যাপার নয়। তবে অবশেষে পিয়ার্স সফল হয়েছেন। বিফল হয়নি তাঁর ৪ বছরের লড়াই। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা সূত্রে এমনটা জানা গিয়েছে। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, প্রকৃতির নিয়মে গন্ধ বিতরণ করে বসুন্ধরা। গভীর জঙ্গলে সবুজের গন্ধ এক ধরনের হয়ে থাকে। আবার মরুভূমির একরকম গন্ধ হয়। পাহাড়-পার্বত্য এলাকায় ভিন্ন গন্ধ অনুভূত হয়। পাশাপাশি সমুদ্র উপকূল, সমতল বা মালভূমি অঞ্চলও গন্ধ দিয়ে চেনা যায়।
অন্যদিকে বৃষ্টির সংস্পর্শে আসা মাটি সোঁদা-গন্ধ ছড়িয়ে থাকে। মহাশূন্যের গন্ধটা ঠিক কেমন তা আন্দাজ করা সাধারণভাবে মুশকিল। সূত্রের খবর, কটু, ঝাঁঝালো না সব গন্ধের মিশেল তা জানার জন্য পিছিয়ে যাওয়া দরকার ২০০৮ সাল নাগাদ। ওই বছরই নাসা সূত্রে যোগাযোগ করা হয়েছিল রসায়নবিদ পিয়ার্সের সঙ্গে। ওই সময় তাঁকে বলা হয়েছিল, ল্যাবরেটরিতে বসে বানাতে হবে বিশেষ পারফিউম। নাকে এলেই মহাকাশের অনুভূতি পাওয়া যাবে। জানা যায়, এক্ষেত্রে নাসার উদ্দেশ্য– মহাশূন্যের গন্ধের সঙ্গে মহাকাশচারীদের সহজাত করে তোলা। রকেটে চড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ছাড়লেই এক ধরনের বিচিত্র গন্ধ নভশ্চরদের নাকে আসতে থাকে। সেই ঘ্রাণ নেওয়া অনেকের পক্ষে কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। ওই গন্ধের সঙ্গে ধাতস্থ হওয়ার পর খুব অসুবিধার মুখোমুখি হতে হবে না নভশ্চরদের।

