padmasree and kamaliMiscellaneous Trending News 

পদ্মশ্রী ‘গুরু মা’ কমলি সোরেনের লড়াই

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: পদ্মশ্রী প্রাপক কমলি সোরেন। ধর্মান্তরিত আদিবাসীদের হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনাই লক্ষ্য তাঁর। গাজোলের মানুষ বিশ্বাস করেন লড়াইয়ের মুখ কমলি সোরেন। এবার পদ্মশ্রী পুরস্কার প্রাপকদের তালিকায় উঠে এসেছে বাংলা ও বাঙালির মধ্যে বেশ কয়েকটি নাম। তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন সাহিত্যিক নায়ারণ দেবনাথ। জেলার স্ব-স্ব ক্ষেত্রে ছাপ রেখে যাওয়া মানুষেরাও রয়েছেন। সমাজসেবায় উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য মালদহের গাজোলে প্রত্যন্ত গ্রামের ‘গুরু মা’কমলি সোরেন এই স্বীকৃতি পেলেন । পদ্মশ্রী পুরস্কারের জন্য মনোনীত কমলির লড়াই মূলত আদিবাসী সমাজের ধর্মান্তকরনের বিরুদ্ধে‌‌।

স্থানীয় সূত্রের খবর, মালদহের গাজোলের কোটালহাটি গ্রামে ৭ কাঠা জমির ওপর গড়ে উঠেছে ‘গুরুমার’ একটি আশ্রম। প্রায় ৫০বছর বয়সী আদিবাসী ওই রমণীর প্রকৃত নাম কমলি সোরেন। একপ্রকার তাঁর পথ ধরে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে গাজোলের কোটালহাটি গ্রাম। প্রায় ২৫ বছর ধরে সমাজ সেবার কাজে ব্রতী হয়েছেন তিনি। গড়ে তুলেছেন কল্যাণ আশ্রম। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, আদিবাসী সমাজে ডাইনি প্রথার বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই সরব হন কমলি। পায়ে হেঁটে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতার প্রচার চালিয়েছেন তিনি। কোটালহাটি ও তার আশেপাশের গ্রামে গুরুমার শিষ্যও অনেক।

তিনি মনে করেন, দুঃস্থ ,দরিদ্র ও অসহায় আদিবাসীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ভুল বুঝিয়ে ধর্মান্তকরন করা হয়েছে । এর বিরুদ্ধেই সাহসী হয়ে প্রচার চালিয়েছেন তিনি। তাঁর হাত ধরেই ধর্মান্তকরন হওয়ারা ফিরেছেন। ফুল ও মালায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অনেকেই। তাঁর সম্মান প্রাপ্তির খবরে খুশী ভক্ত – শিষ্যরা। গরিব আদিবাসীদের খাবার জোগান দেওয়া সহ কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ার কাণ্ডারী হলেন কমলি। গুরুমার পদ্মশ্রীসম্মান প্রাপ্তিতে খুশির হাওয়া আদিবাসী গ্রামে।

Related posts

Leave a Comment