MariaMiscellaneous Trending News 

দেশে গণতন্ত্র ফেরানোর জন্য নোবেল মারিয়ার

গণতন্ত্রের জন্য লড়াইয়ের স্বীকৃতি পেলেন মারিয়া কোরিনা মাচাদো। ভেনেজ়ুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান। একনায়কতন্ত্র থেকে ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মূলত তারই প্রচেষ্টায়। দেশবাসীকে গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সচেতন করেছেন। এ বছর নরওয়ের নোবেল কমিটি তাঁকে ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩৩৮টি মনোনয়ন জমা পড়ে।

মারিয়া কোরিনা মাচাদো দেশবাসীকে গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি তাঁদের সেই অধিকারের জন্য অবিরাম লড়াই করেছেন। মারিয়ার নাম ঘোষণা করে নোবেল কমিটি। উল্লেখ্য,এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ছিলেন। অবশেষে ভেনেজ়ুয়েলার বিরোধী দলনেত্রী মারিয়াকেই নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছে নোবেল কমিটি। জর্জেন ওয়াটনে ফ্রাইডনেস নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান মন্তব্য করেছেন, ভেনেজ়ুয়েলার বিরোধী দল দ্বিধাবিভক্ত ছিল। সবাইকে একত্রিত করার কৃতিত্ব রয়েছে মারিয়ার। বিরোধীদলগুলিকে একত্রিত করে অবাধ নির্বাচন এবং প্রতিনিধিত্বমূলক সরকারের দাবি তুলেছিলেন তিনি। ৫৮ বছর বয়সী মারিয়া ভেনেজ়ুয়েলার “লৌহ মানবী” বলে পরিচিত। ২০১৩ সালে ভেনেজ়ুয়েলায় একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা হয়। যার নাম- “ভেন্টে ভেনেজ়ুয়েলা’। সেই দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাত্রি ছিলেন মারিয়া। গ্রেফতার হলেও মারিয়াকে দমানো সম্ভব হয়নি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে মারিয়াকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে শামিল হতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ সামনে আসে।

Related posts

Leave a Comment