Kolkata High Court-5Miscellaneous 

টেটে বসা প্রার্থীদের প্রশ্নে ভুল এবং ইন্টারভিউয়ে বসার সুযোগ

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : টেট-প্রশ্নে ভুল, সুযোগ ইন্টারভিউয়ে। সূত্রের খবর, প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল। তার কারণে পরীক্ষার্থীদের নম্বর দিয়ে দিতে হবে বলে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পাল্টা মামলায় তা আটকে রয়েছে। সূত্রের আরও খবর, তার জন্য ‘টিচার এবিলিটি টেস্ট’ বা টেটে বসা প্রার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউয়ে বসা আটকাচ্ছে না। ৬ নম্বর বাড়লেই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা ইন্টারভিউয়ে বসার যোগ্যতা অর্জন করবেন বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, এই অবস্থায় তাঁদের শিক্ষক পদে ওই ইন্টারভিউয়ে বসতে দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

অন্যদিকে আরও জানা যায়, নম্বর নিয়ে যে-সব প্রার্থী মামলা করেছেন, আপাতত তাঁরাই এই সুযোগ পেতে পারবেন। আবার হাইকোর্টের নির্দেশের পর ৬ নম্বরের জন্য ইন্টারভিউয়ে ডাক না-পাওয়া অন্য প্রার্থীরাও আবেদন করার সুযোগ পাবেন। তাঁরা আবেদন করলে তাঁদেরও ইন্টারভিউয়ে বসতে দিতে হবে। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, সব মিলিয়ে এই ধরনের কর্মপ্রার্থীর সংখ্যা ৫০ হাজারের কাছাকাছি।

এ বিষয়ে আরও জানা যায়, টেট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠে। তা নিয়ে একাধিক মামলা হয়। সম্প্রতি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য সরকার। এরপর প্রশ্ন-বিভ্রাটে একদল প্রার্থী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য ওই সব প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ে বসার সুযোগ দিতে বলেছিলেন। ওই শুনানিতে তিনি জানিয়েছেন, ওই সব কর্মপ্রার্থীর সঙ্গে ‘অবিচার’ হয়েছে। প্রাথমিক টেটের প্রশ্নপত্রে ভুল থাকায় পরীক্ষার্থীকে সেই সব প্রশ্নের নম্বর দিতে হবে, প্রাথমিকভাবে এমনই রায় দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ।

উল্লেখ করা যায়, রাজ্য সরকার ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানানোয় মামলাটি ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। ওই মামলার নিষ্পত্তির আগেই সব আবেদনকারীকে ইন্টারভিউয়ে বসার সুযোগ দিতে হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। এক্ষেত্রে তাঁর নির্দেশ, অনলাইনে আবেদনের সময়সীমা শেষ হলেও মামলাকারীরা আগামী ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে উল্লেখ করা যায়, ২০১৪ সালে রাজ্যে প্রাথমিক টেট হয়। ৩টি প্রশ্নে ভুল ছিল। পরীক্ষার্থী তার সুরাহা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওই মামলাতেই দেখা যায়, ৩টি প্রশ্ন ভুল রয়েছে। এ ব্যাপারে বলা হয়, যেসব পরীক্ষার্থী ওই ৩টি প্রশ্নের উত্তর লিখেছেন বা লেখার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের নম্বর দেওয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। এই মামলাটি এখনও চলছে। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য ও সুদীপ্ত সেনগুপ্ত আদালতে জানান, তাঁদের মক্কেলরা আরটিআই করে খাতা দেখেছেন, ওই নম্বর পেলে তাঁরা টেট পাশ করবেন। মামলাটি এখনও বিচারাধীন, তাই তাঁদের ইন্টারভিউয়ে বসার সুযোগ দেওয়া হোক।

Related posts

Leave a Comment