Fisher ManMiscellaneous 

মাছের বার্ষিক উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নয়া নীতি

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক : মাছ রপ্তানিতে বিশেষ নজর। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা তিনগুণেরও বেশি করার উদ্যোগ। সূত্রের খবর, মাছের বার্ষিক উৎপাদন তিনগুণেরও বেশি করার লক্ষ্য নিয়ে নয়া নীতি আনল রাজ্য সরকার। উল্লেখ্য, পূর্বতন সরকারের আমলে ২০১০-২০১১ আর্থিক বছরে রাজ্যে মাছ উৎপাদন হয় ১১ লক্ষ মেট্রিক টনের মতো। এরপর গত ৯ বছরে ৭ লক্ষ মেট্রিক টন বৃদ্ধি পেয়ে তা প্রায় ১৮ লক্ষ মেট্রিক টন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশমতো এবার ৩৫ লক্ষ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রাখা হয়েছে।

৩ বছরের মধ্যে সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রত্যয়ী নবান্ন। রাজ্য মৎস্য দপ্তর চতুর্মুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মৎস্য দপ্তর সূত্রে এ বিষয়ে জানা গিয়েছে, জেলাগুলিকে মৎস্য চাষে স্বয়ং-সম্পূর্ণ করা ও জেলাভিত্তিক জলাশয় অধিগ্রহণ করা এবং চারা বিলি থেকে মাছ ধরার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আবার মাছের রোগ নির্ণয় ও প্রতিরোধে বিশেষ প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। মাছে-ভাতে বাঙালির রসনা তৃপ্তির জন্য বাণিজ্যিকভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উপার্জনের পথ সুগম করতে চাইছে রাজ্য সরকার।

মৎস্য দপ্তর সূত্রে আরও খবর, জেলায় জেলায় মাছের খাবার তৈরির কারখানা গড়লে সরকারি সহায়তা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে জেলাতেই ফিড ফ্যাক্টরি এবং হ্যাচারি গড়ে স্থানীয়ভাবে মাছ চাষের উপকরণ পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য। এক্ষেত্রে মূল উদ্দেশ্য– স্থানীয় স্তরে মাছ চাষে স্বাবলম্বী করে তোলা। মৎস্য দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, জেলাশাসকদের কাছে এই সংক্রান্ত চিঠি পৌঁছে গিয়েছে। সেখানে প্রতিটি জেলাকে ন্যূনতম ২০০টি জলাশয় চিহ্নিত করে অধিগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। আরও জানা যায়, স্থানীয় মৎস্যজীবীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেখানে মাছ চাষে যাবতীয় সহযোগিতা করা হবে। মৎস্য দপ্তর অভিনব “ফিশারি ক্যালেন্ডার”ও প্রস্তুত করেছে। মিষ্টি, কালচে ও সামুদ্রিক জলে চাষের উপযুক্ত মাছের তালিকাও গড়া হয়েছে বলে খবর।

Related posts

Leave a Comment