mind and durgaMiscellaneous Trending News 

দুর্গা মায়ের আগমন : পুজোর মেজাজে মন

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্রকৃতির রঙ বদলাচ্ছে। পুজো আসছে। দেবী দুর্গা মায়ের আগমন ঘটবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে তারই আয়োজন। ছুটির মেজাজে কয়েকদিন নিরিবিলি অবসর-যাপন। শরতের নীল আকাশ শোভা পাচ্ছে। মাঝে মধ্যে বরষার উঁকি । গ্রামীণ বিভিন্ন প্রান্তরে কাশ ফুল মাথা দুলিয়ে চলেছে। রোদ্দুর আর বর্ষার আবহে বাতাসে পুজোর গন্ধ মাখা।

উমার বাপের বাড়ির আগমনকে কেন্দ্র করে প্রকৃতি-পরিবেশ ও মানুষের মনে এক ভিন্ন অনুভূতি। এই সময় চার দেওয়ালের মধ্যে আটকে থাকতে চায় না অনেকের মন। ছুটির অবসরে বাঙালি ছুটে বেড়াতে চায়। পুজোর পরিবেশ তৈরি হতেই বেরিয়ে পড়া। এক্ষেত্রে অনেক মানুষই আগাম প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। জেলা ও রাজ্যের আসে-পাশে ভ্ৰমণ যেমন রয়েছে, তেমনি দেশে এবং দেশের বাইরে যাওয়ার ইচ্ছাও পূরণ করেন অনেকেই ।

অন্যদিকে দুর্গাপুজোর প্রাচীন এবং অতীত ইতিহাসও রয়েছে। দুর্গাপুজোর গবেষক ও ঐতিহাসিকদের বিবরণ অনুযায়ী জানা যায়, বড়িশার সাবর্ণ রায়চৌধুরী পরিবারের দুর্গাপুজোই কলকাতার প্রাচীনতম দুর্গাপুজোর মধ্যে অন্যতম। এছাড়া কলকাতার বনেদি বাড়িরও অনেক পুজো প্রাচীন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে অনেক পুরনো দুর্গাপুজো।

বহু পুজোয় নিয়ম-নিষ্ঠা ও রীতি-রেওয়াজ রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে সেই নিয়মই পুজোয় মেনে চলা হচ্ছে। কোথাও নিরামিষ পদে দুর্গার ভোগ-রান্না। আবার কোথাও আমিষ পদে ভোগের ব্যবস্থা করা হয়। কোথাও প্রকারভেদ রয়েছে দেবী প্রতিমার গায়ের রঙেরও। প্রাচীন দুর্গাপুজোগুলিতে দুর্গা-দালানের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। দুর্গোৎসবের পূর্বে দুর্গা-দালানের সংস্কার হয়। রঙের প্রলেপও দেওয়া হয়। অনেক জায়গায় রয়েছে দর্শনার্থীদের বসার ঘরও।

বনেদি বা রাজবাড়িতে আত্মীয়-স্বজনদের একত্রে বসে গল্প-গুজব করা ও পুজো দেখা এবং অবসর সময় কাটানোর জন্য রয়েছে বসার ঘর। মায়ের আগমন ও শারদ উৎসবে এই সব জায়গা সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয় । ঢাকে কাঠি পড়ার আগে পুজো মণ্ডপ নির্মাণ,মৃৎশিল্পীদের প্রতিমা গড়া,দুর্গা-দালান সংস্কারের কাজ চলেছে জোর কদমে। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment