শীতকালে ফিট থাকার ডায়েট
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ডিহাইড্রেশন দেহের তাপমাত্রায় পরিবর্তন ঘটায়, প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে শুরু করে। এ জন্য শীতের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা উচিত। শীতের সময় মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাপক পরিবর্তন আসে। মানুষ অন্যান্য মৌসুমের তুলনায় শীতে কম খায় এবং জলও কম পান করে। যেহেতু শীতের কারণে তৃষ্ণা কম হয় এবং পরিবেশ শুকনো থাকায় ঘাম আসে না। এ কারণে শরীরে জলের অভাব দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিহাইড্রেশন শরীরের তাপমাত্রা পরিবর্তন করে, প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়। এ জন্য শীতের সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা উচিত।
তবুও, কম জল পান করে ডায়েটে ৫ টি জিনিসকে অন্তর্ভুক্ত করলে জলের অভাবকে কাটিয়ে ওঠা যায়। যেমন, পালং শাকে বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি পাওয়া যায়। পালং শাক ত্বক এবং চুলের জন্য খুব উপকারী। এছাড়াও পালং শাক খাওয়ার ফলে শরীরে জলের অভাব দূর হয়। পালং শাকে ৯০ শতাংশ জল রয়েছে। এছাড়াও পালং শাকের মধ্যে লুটিন, পটাসিয়াম, ফাইবার, ফোলেট এবং ভিটামিন-ই রয়েছে। এই সমস্ত গুণ শীতকালে পালং শাককে সুপারফুড তৈরি করে।
আমরা সবাই জানি যে, টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে জল পাওয়া যায়। আমরা এটি তরকারি এবং মসুর ডালে ব্যবহার করি।টমেটো খেলে শরীরে জলের অভাব হয় না। এটি ওজন কমাতেও সহায়ক। কাঁচা টমেটোও খাওয়া যেতে পারে। এক কাপ ফুলকপিতে ৫০ শতাংশ জল থাকে। এটি কিটো বান্ধব ডায়েট। এর ব্যবহারের ফলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। সালাদ, স্যুপ, কারি এবং ভাতের সঙ্গে ফুলকপি খাওয়া যেতে পারে।
জলপাইয়ে প্রচুর পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এছাড়াও জলপাইয়ের তেলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। এর ব্যবহারের ফলে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। ত্বকে জলপাইয়ের তেল লাগালে শুষ্ক ত্বক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। হলুদ এবং সবুজ ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে জল পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে ক্যাপসিকামে ৯৯ শতাংশ জল থাকে। এছাড়াও এতে ভিটামিন-সি, ভিটামিন-বি ৬, বিটা ক্যারোটিন, থায়ামিন এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী।

