student and class roomMiscellaneous Trending News 

স্কুল খুললেও ক্লাস কি উপায়ে নেওয়া হবে তা নিয়ে সংশয়

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বিশেষ সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে শিক্ষা দফতর। সূত্রের খবর, এক্ষেত্রে যারা অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে পাঠরত এবং নবম থেকে দশম শ্রেণিতে পাঠরত তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রয়োগ করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ করা যায়, শুক্রবার থেকে রাজ্যজুড়ে খুলতে চলেছে স্কুল। তবে সব ক্লাসের নয়, নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস হবে ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে। এমনই নির্দেশ রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তরের। স্কুল খোলা হলেও ক্লাস কি উপায়ে নেওয়া হবে তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এখনও পর্যন্ত বিশদে কোনও গাইড লাইন দেয়নি রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর। তবে করোনা পরিস্থিতিতে কীভাবে স্কুল খুলবে তা নিয়ে ২২ পাতার গাইডলাইন জারি করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দপ্তর।

সেই গাইডলাইনে পঠন-পাঠন কিভাবে হবে তা নিয়ে অবশ্য বিস্তারিত জানানো হয়নি। সূত্রের আরও খবর, এক্ষেত্রে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে পুরনো ক্লাসের সিলেবাস শেষ করানো হবে। তারপর নতুন ক্লাসের সিলেবাস শুরু হবে। এক্ষেত্রে যারা অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে উঠেছে এবং নবম থেকে দশম শ্রেণিতে উঠেছে তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বলবৎ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, করোনা আবহে গত বছরের মার্চ মাসের শেষ দিক থেকে স্কুল বন্ধ থাকার কারণে সব ছাত্র-ছাত্রীদের এবার পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হয়েছে। অনলাইনে ক্লাস চললেও সেভাবে সাফল্য আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে।

এক্ষেত্রে বলা হয়েছে, নবম ও দশম শ্রেণীর মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্লাসগুলিতে পড়ুয়াদের আগের ক্লাসের সিলেবাস সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা না দিলে পরবর্তী ক্লাসের ক্ষেত্রে তাদের সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষকদের এক অংশ । বিশেষত যে সব পড়ুয়া এ বছর নবম শ্রেণীতে উঠেছে তাদের অষ্টম শ্রেণীর বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে নবম শ্রেণীর পঠন-পাঠনে ক্ষতি হতে পারে বলেও শিক্ষকদের একাংশের অভিমত। আর সে কারণেই কীভাবে এই সামগ্রিক পরিকল্পনায় রূপরেখা তৈরি করা যায় তা নিয়ে ইতিমধ্যেই ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছে সিলেবাস কমিটি। অন্যদিকে এই সংক্রান্ত বিষয়ে অনেকটাই পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলেছে সিলেবাস কমিটির সদস্যরা। স্কুল শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সবুজ সঙ্কেত পাওয়া গেলে এই কাজে আরও গতি আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আবার পুরনো ক্লাসের সিলেবাস সম্পূর্ণ ধরে ধরে পড়ানো সম্ভব নয় বলেও মনে করছেন শিক্ষকদের একাংশ। নির্দিষ্ট কিছু অংশ বাছাই করে যা সেই পড়ুয়াদের পরবর্তী ক্লাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য বা পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে কাজে লাগবে সেই বিষয় গুলি পড়ানো যেতে পারে এমন অংশগুলি রাখা যেতে পারে বলেই মত শিক্ষকদের একাংশের। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও যারা এ বছর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে সেই ছাত্র- ছাত্রীদের সিলেবাস শেষ করার পূর্বেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন শিক্ষকদের অন্য একটা অংশ।

Related posts

Leave a Comment