Chinese spacecraft Change-5Miscellaneous 

চাইনিজ মহাকাশযান চেঞ্জ-৫ লান্ডারের চন্দ্রপৃষ্ঠে সফল অবতরণ

কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ চিনের জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন জানিয়েছে যে, চেঞ্জ-৫ মিশন সফলভাবে সকাল ১১ টার পরে তার নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছেছে। এটি অবতরণ স্থানে চন্দ্র পৃষ্ঠের ছবিও নিয়েছে যাতে ল্যান্ডারের ছায়াও দেখা গিয়েছে। প্রায় ২ কেজি মাটি এবং পাথর চাঁদ থেকে পৃথিবীতে নিয়ে আসবে। এক সপ্তাহ আগে চালু হওয়া এই রোবোটিক মিশনের অবতরণটি আগের মতো টিভি চ্যানেলগুলি দ্বারা সরাসরি প্রসার করা করা হয়নি। কিন্তু চাঁদের পৃষ্ঠকে স্পর্শ করার সাথে সাথেই খবরটি ফ্ল্যাশ করা হয়। এই অভিযানে, আশেপাশের পরিবেশ পরীক্ষা করতে এবং ক্যামেরা, স্পেকট্রোমিটার, রাডার, স্কুপ এবং ড্রিলের সাহায্যে পৃষ্ঠের নমুনা সংগ্রহ করতে এটি পরের দু’দিন সেখানে অবস্থান করবে।

অনুরূপ কাজ ১৯৭৬ সালে সোভিয়েত লুনা ২৪ মিশন দ্বারা করা হয়েছিল, তবে ওই মিশনে মাত্র ২০০ গ্রাম মাটি এবং শিলা আনা হয়েছিল। ২৪ নভেম্বর, মহাকাশযানটি হেনান প্রদেশ থেকে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী লং মার্চ-৫রকেটের সাহায্যে প্রারম্ভ হয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নমুনা সংগ্রহের জন্য চাঁদে নভোচারী প্রেরণ করেছিল। যেখানে তখনকার সোভিয়েত ইউনিয়ন চাঁদে নমুনা সংগ্রহের জন্য একটি মানব রোহিত মহাকাশযান চাঁদে প্রেরণ করেছিল।

চিনা মহাকাশযানের ল্যান্ডার চাঁদে মাটি এবং শিলা সংগ্রহ করে অ্যাসেন্ডারের কাছে যাবে। অ্যাসেন্ডার নমুনা নিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠের উপর দিয়ে উড়ে যাবে এবং মহাকাশে প্রদক্ষিণরত প্রধান মহাকাশ যানের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। মূল মহাকাশযান চন্দ্র পৃষ্ঠের নমুনাগুলি একটি ক্যাপসুলে রাখবে এবং তারপরে এটি পৃথিবীতে প্রেরণ করবে। এই পুরো মিশনে ২০ দিনেরও বেশি সময় লাগতে পারে। এটি প্রায় চার দশক পরে ঘটতে চলেছে। চিনের মহাকাশযানকে চাঁদে আনতে লং মার্চ-৫ রকেট ব্যবহার করা হয়েছে। এই রকেট তরল কেরোসিন এবং তরল অক্সিজেনের সাহায্যে চালিত হয়। চিনের এই শক্তিশালী রকেটটি ১৮৭ ফুট দীর্ঘ এবং ওজন প্রায় ৮৭০ কিলোগ্রাম।

Related posts

Leave a Comment