সন্তানের পড়াশুনা-পরিবেশ কেমন হবে?
শিক্ষা ক্ষেত্রের পরিবেশ অনেকটাই বদলে গিয়েছে। আপনার সন্তানের পড়াশুনার বিষয়ে খোঁজ-খবর অবশ্যই করতে হবে। তার জন্য শিক্ষক ও সহপাঠীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে। আপনার সন্তান ছোটখাটো ভুল করলে প্রথমেই শাস্তি দিতে যাবেন না। তাকে বুঝিয়ে বলতে হবে। সন্তানকে দায়িত্ব-সচেতন করে গড়ে তুলতে চেষ্টা করবেন। ভালো পরিবেশে মানুষ করতে পারলে সন্তানের অভ্যাস বদলে যাবে। সমাজের খারাপ দিকগুলো বর্জন করতে সচেষ্ট হবে।এখনকার সময়ে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার খুবই প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে প্রথম থেকেই ইংরেজি বিষয়ের চর্চা বজায় রাখতে চেষ্টা করতে হবে। সবাই ইংলিশ মিডিয়ামে পড়াতে পারেন না। সুতরাং বাড়িতে ইংরেজি সংবাদপত্র রাখতে হবে আপনার সন্তানের স্বার্থেই। পড়াশুনার সময় মোবাইল ফোন থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে চেষ্টা করবেন। সন্তানকে পড়াশুনার বিষয়ে উৎসাহিত করবেন। অভিভাবক হিসেবে অবশ্যই মাথায় রাখবেন, ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে সন্তানকে কখনই স্মার্টফোন কিনে দেবেন না। সন্তান পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলে কোনও কিছু কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া ঠিক নয়।
আপনার সন্তানকে দেশ-বিদেশের নানা গল্প শোনাতে চেষ্টা করবেন। শিক্ষামূলক বই পড়তে সহায়তা করবেন। দেশ-বিদেশের স্মরণীয় ব্যক্তিদের জীবনী পড়তে উৎসাহিত করতে হবে। সন্তানকে বইমেলায় নিয়ে গিয়ে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন রকম বইয়ের সঙ্গে পরিচয় ঘটিয়ে দেবেন। তাহলে বই পড়ার প্রতি উৎসাহ তৈরি হবে। গ্রন্থাগারে নিয়ে গিয়েও বই পড়ার প্রতি উৎসাহ তৈরি করতে পারেন। বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হবে। সহপাঠীর সাথে কোনও বিবাদ বা মনোমালিন্য হলে অভিভাবকরা সহজে জড়াবেন না। তাদেরকেই প্রাথমিকভাবে মীমাংসা করতে দিন। তা না হলে শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলতে চেষ্টা করবেন। সন্তান অন্যায় করলে তার পক্ষ নিয়ে সহপাঠী ও অভিভাবকদের কটু কথা বলবেন না।

