বিমানবাহিনী প্রধানের চীন-পাকিস্তানকে কড়া বার্তা, ভারত দুটি ফ্রন্টেই লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ চীনের সাথে চলমান সীমান্ত বিরোধের মধ্যে পাঁচটি রাফালে যুদ্ধবিমান আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বিমানের বহরটি গত বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে পূর্ব লাদাখে উড়ে চলেছে। রাফেল আসায় ভারতের বায়ু সেনার শক্তি অনেক বেড়েছে। বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদৌরিয়া বলেছেন যে, পূর্ব লাদাখে চীনের সাথে চলা সংঘাতের মধ্যে ভারত উভয় ফ্রন্টে লড়াই করতে সক্ষম। ভারতীয় বিমানবাহিনী চীন ও পাকিস্তানের সাথে যে কোনও সম্ভাব্য যুদ্ধের লড়াই করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেছিলেন যে, ভবিষ্যতের যে কোনও সংঘাতের ক্ষেত্রে আমাদের জয়ের ক্ষেত্রে বায়ু শক্তি গুরুত্বপূর্ণ হিসাবে প্রমাণিত হবে। বিমান বাহিনী যে কোনও দুঃসাহসকে জবাব দিতে পুরোপুরি দৃড় প্রতিজ্ঞ।
তিনি আরও বলেছেন, “আমি নিশ্চিত করে বলতে চাই যে, ভারতীয় বিমানবাহিনী অন্যতম সেরা সেনাবাহিনী। চীনও আমাদের শক্তি বুঝতে পেরেছে।” তিনি বলেছিলেন যে, “আমরা রাফাল, চিনুক, অ্যাপাচি রেকর্ড সময়ে অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করতে পেরেছি। পরের তিন বছরের মধ্যে রাফাল ও এলসিএ মার্ক ১ স্কোয়াড্রন পুরো শক্তি নিয়ে আক্রমণ সানাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” চীনের সাথে চলমান আলোচনার বিষয়ে জানান, সেনা প্রত্যাহারের উপর আলোচনা কীভাবে হয় তার উপর কার্যত নির্ভর করবে। তাঁর আশা আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হবে।
বর্তমানে অগ্রগতি খুব ধীরগতিতে চলছে। ওখানে না কোনও যুদ্ধের পরিস্থিতি না শান্তি। স্থানীয় বাস্তবতা দেখার পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস করতে কর কমান্ডারদের মধ্যে সপ্তম দফার বৈঠক ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে, বিমান বাহিনী প্রধান বলেছিলেন যে, আমাদের উত্তর সীমান্তে বর্তমান সুরক্ষা পরিস্থিতি অস্বস্তিকর অবস্থায় রয়েছে। আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। চিনুক, অ্যাপাচি এবং অন্যান্য বিমানের বহর নিয়ে রাফাল যুদ্ধবিমানের সংযুক্তিকরণ বিমান বাহিনীকে শক্তিশালী ও কৌশলগত ক্ষমতা দিয়েছে।

