রাজ্য পর্যটন দপ্তর খোলার প্রয়াস পুরোদমে
কাজকেরিয়ার অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ লকডাউনের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি দেশ ও রাজ্যের পর্যটন শিল্পে। এই পরিস্থিতি কাটলেই ছন্দে ফিরতে প্রস্তুতি সেরে রাখছে রাজ্য পর্যটন দফতর। সূত্রের খবর, বর্তমান পর্যটকশূন্য এই পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে নানা টুরিস্ট লজ ও পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, গোটা বিশ্ব এবং দেশের পাশাপাশি এ রাজ্যের পর্যটন ক্ষেত্রও বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বর্তমান মহামারীর পরিস্থিতি কবে কাটবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই। দু-তিন মাস পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে পর্যটকদের আসতে যাতে কোনও প্রকার অসুবিধা সৃষ্টি না হয় তাই বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই আমাদের পর্যটন প্রকল্প এবং পরিকাঠামো তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।
উল্লেখ্য, বর্তমান ব্যারাকপুরের গান্ধীঘাট ও শহীদ মঙ্গল পান্ডের ফাঁসির জায়গা নিয়ে ‘উৎসধারা’ নামে একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে রাজ্য পর্যটন দপ্তর। নভেম্বর ডিসেম্বরের মধ্যে ওই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী। এবিষয়ে তিনি আরও জানান, বকখালি বালুতট পর্যটক নিবাসের কাজেও জোর দেওয়া হচ্ছে। ২০টি নতুন ঘর তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বুলবুল ও আম্ফানে বকখালির অনেকটা অংশই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেখানে নতুন করে গাছ লাগিয়ে বনভূমি তৈরি করতে সময় লাগবে। তাঁর আরও বক্তব্য, মাইথন ট্যুরিস্ট লজের কাজও প্রায় শেষ। বোলপুর ট্যুরিস্ট লজের কাজ চলছে। শান্তিনিকেতনে ইতিমধ্যেই রাজ্য পর্যটন দপ্তরের একটি নিবাস রয়েছে। ‘আমার কুটির’-এ জমি নেওয়া হয়েছে, ওখানে আলাদা করে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রস্তুতি শুরু বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

